অধ্যক্ষ

অধ্যক্ষের বাণী

Principal

রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের তালিকায় পুঠিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ একটি বিশেষ পরিচিত নাম। ২০ বছর আগে  ১৯৯৫ সালের ২১শে জুলাই তারিখে রাজশাহী জেলার পুঠিয়া সদর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের উওর পাশ্বে প্রতিষ্ঠানটি এলাকার মহান নেতৃবৃন্দ ও ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক ও অক্লান্ত পরিশ্রমে   প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিই  অএ উপজেলার প্রথম মহিলা কলেজ্ । প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই এ কলেজটি অএ জনপদে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও মেধা বিকাশে বিশেষভাবে নারী শিক্ষার উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সুযোগ ও সৌভাগ্য যে, প্রতিষ্ঠানটির জন্মলগ্ন থেকে অদ্যাবধি আমি অধ্যক্ষ হিসাবে এর কর্ম প্রচেষ্টার সাথে সংযুক্ত থাকতে পেরেছি।

পুঠিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজটি এখন রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলাধীন উচ্চমাধ্যমিক ও ডিগ্রী পর্যায়ের শীর্ষ স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে অন্যতম। কলেজটি জেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং উপজেলা সদরের কেন্দ্্রবিন্দুতে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের উওর পাশ্বে  অবস্থিত।

বর্তমানে অত্র কলেজে উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পাস পর্যায় মিলে প্রায় ৫০০-৬০০ জন ছাত্রী অধ্যয়ন করছে। এখানে শিক্ষাদানের জন্য উচ্চজ্ঞান সম্পন্ন ও দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী নিয়োজিত রয়েছেন এবং তাঁরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন। যার কারণে কলেজের শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ও ফলাফল বরাবরই উপজেলায় শীর্ষ  । কলেজের উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায়  এবং স্নাতক পর্য়ায়্রে বি.এ,ও বি.এস.এস  শাখায় সর্বশেষ নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। আমাদের রয়েছে সবুজ গাছপালা ও শোভাবর্ধনকারী ফুলবাগান বেষ্টিত মনোরম ও দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক কলেজ ক্যাম্পাস, । এখানকার পরিবেশগত ও ভৌগলিক অবস্থান অত্যন্ত মনোরম ও শিক্ষা বান্ধব- যেখানে নিশ্চিন্তে শিক্ষা গ্রহণ করা যায়। আমরা প্রতিনিয়ত শিক্ষার প্রকৃত উৎকর্ষ সাধনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সমাজের প্রত্যেক ক্ষেত্রে “ডিজিটাল বাংলাদেশের” স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়নের শীর্ষৈ পৌঁছার লক্ষ্যে সরকারী দৃঢ় প্রত্যয় থেকে আমি বর্তমান সরকারের তাৎপর্যপূর্ণ উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সামিল হতে চলেছি। পুঠিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ  প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত কোন ওয়েব সাইট চালু ছিল না। বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতা সম্পর্কে জানা, শোনা ও উপলব্ধির মধ্যেমে কলেজ কে সরকারে উন্নয়নের রোডম্যাপে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে আমি শিক্ষাবান্ধব ও দায়িত্বশীল কলেজ গভর্নিং বডির আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কলেজে …আগষ্ট ২০১৫ইং তারিখ থেকে ওয়েব সাইট খোলার কার্যক্রম শুরু করেছি। আমি বিশ্বাস করি, ওয়েব সাইটের মাধ্যমে এক টেবিল থেকেই কলেজ সম্বন্ধে সকল তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে এবং এটা কলেজের ছাত্রী, শিক্ষকমন্ডলীসহ তথ্য সংগ্রহে আগ্রহী সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করবে।

বর্তমানে আমরা পাঠদানের মান উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান সদাশয় সরকারের শুভ দৃষ্টিভঙ্গী, দিক নির্দেশনা ও সহযোগিতার ফলে আমরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং …টি ডেক্সটপ ও .. টি ল্যাপটপ কমিম্পিউটার সমৃদ্ধ সুসজ্জিত কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, প্রগতিশীল শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন উদ্ভূদ্ধকরণ এবং শিক্ষা উপকরণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি এবং আমরা ডিজিটাল যুগে পদার্পনের লক্ষ্যে অবাধ তথ্য প্রবাহে প্রবেশের দ্বার উন্মুক্ত করার জন্য নেট-ওয়ার্ক সিষ্টেম চালু করতে যাচ্ছি। ই-লার্নিং সিষ্টেম চালুর লক্ষ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অচিরেই পুঠিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজে সকলের জন্য উন্মুক্ত “ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন” স্থাপন করা হবে।

খেলাধুলা, সঙ্গীত, শিক্ষা সফর, বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ের সমন্বয়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শরীরচর্চা শিক্ষীকার মাধ্যমে কলেজে সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সহপাঠ্য ক্রমিক কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে আমরা আন্তরিক ভাবে প্রচেষ্ঠা চালিয়ে চাচ্ছি, যেন তাদের মেধা ও মননশীলতার যথাযথ বিকাশ ঘটে। তাছাড়া আমরা ছাত্রীদেরকে লাইব্রেরী পাঠকক্ষ ব্যবহারের জন্যও উদ্বুদ্ধ করছি এবং বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহীদের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে আমরা সমৃদ্ধ লাইব্রেরী গড়ে তুলেছি। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি পুঠিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজের এ উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

কোনরূপ দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও সংকোচ ছাড়াই আমি বলতে চাই জনাব আলহাজ অধ্যাপক মো: নজরুল ইসলাম সাহেবের গতিশীল নেতৃত্বে এবং মাননীয় সাবেক প্রতিমন্ত্রি জনাব অধ্যাপিকা জিনাতুন নেসা তালুকদারের আন্তরিকতায় ও অএ এলাকার সর্বস্তরের জনণনের সার্বিক সহয়োগীতায় কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উক্ত ব্যক্তিবর্গ ও  সর্বস্তরের জনণনের প্রতি আমি আমার  গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি, যাঁরা এ কলেজ প্রতিষ্ঠার সময় উন্নয়ন অগ্রগতির মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। আমি আশা করি এ কলেজটি তার আপন গৌরবময় অর্জন এবং সমাজ ও জাতি বিনির্মানে তার অবদানের জন্য অধিক কার্যকর ভূমিকা পালনের মাধ্যমে স্বমহিমায় এগিয়ে যাবে। সকলকে ধন্যবাদ।

Signeture-Pricipal-Puthia Mohial Degree College

(মো: ফয়েজুর রহমান)
অধ্যক্ষ
পুঠিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ
৩০.০৮.২০১৫

Pochamaria Degree College © 2015 Design and Developed by NatoreSoft